কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬ এ ১০:৫২ AM
কন্টেন্ট: পাতা
১। ডিজিটাল ভূমি প্রশাসন গড়ার লক্ষ্যে ভূমি প্রশাসনের সাথে জড়িত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে কম্পিউটারের ব্যবহারভিত্তিক ও আইসিটি প্রশিক্ষণ পর্যাপ্ত না হওয়া ;
২। উপজেলা ভূমি অফিসের নিয়ন্ত্রণাধীন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সংখ্যানুপাতে উপজেলা ভূমি অফিসের ৩য় শ্রেণি কর্মচারী মঞ্জুরীকৃত পদ সংখ্যা হ্রাস বা বৃদ্ধি না করা ;
৩। ভূমি অফিসের কর্মচারীদের পদোন্নতির সঠিক নীতিমালা না থাকায় কর্মচারীদের হতাশা থাকায় ডিজিটাল ভূমি সেবায় আন্তরিকতা হ্রাস পায় ;
৪। ভূমি প্রশাসনের সাথে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দক্ষ জনশক্তিতে পরিনত না করা;
৫। ভূমি উন্নয়ন কর শ্রেণি ও ব্যবহারভিত্তিক এবং অঞ্চলভিত্তিক থাকা প্রয়োজন, প্রত্যেক অঞ্চলের গড়ে ভূমি উন্নয়ন কর একই হারে নির্ধারণ না করা ;
৬। ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, সেটেলমেন্ট অফিস ও রেজিস্ট্রেশন অফিস একিভুত না থাকা ;
৭। উপজেলা ভূমি অফিস ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস এর বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ না করার ফলে বিঘ্নিত হওয়া ;
৮। পুরাতন নথি ও রেজিস্টারসমূহ ক্রমিক অনুযায়ি এবং বৎসর ওয়ারী সুবিন্যস্ত আকারে রেকর্ড সংরক্ষণ না করার ফলে স্বল্প সময়ে জনগণের চাহিদা অনুযায়ি তথ্যাদি সরবরাহ দুরুহ হয়ে পড়েছে;
৯। পূর্বের নথিসমূহ এলোমেলোভাবে অরক্ষিত থাকায় বিনষ্ট হতো। এছাড়া গুরুত্বপূর্ন নথি হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল এবং চাহিত তথ্যাদি সরবরাহ করতে বিলম্ব হতো। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে তথ্য সরবরাহ করা সম্ভব হতো না । ফলে জনগণের ডিজিটাল সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে দারুণভাবে অসুবিধা পেতে হয় ;
১০। ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণ না থাকলে জনসাধারণকে আন্তরিকতার সাথে উত্তম সেবা প্রদান করা সম্ভব নয়;